হজ্জ্বের আলোচনাঃ যারা মিনায় গিয়ে নিজের তাবু খুঁজে বের করতে পারবে বলে মনে করে, তারা ৭ই যিলহজ্জ রাতে মিনায় না গিয়ে ৮ই যিলহজ্জ মিনায় যেতে পারে। সেক্ষেত্রে আট তারিখ সকালে ইহরাম বাঁধবে।
মূলত ৮ই যিলহজ্জ সূর্যোদয়ের পর মিনার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়া সুন্নাত। ৮ই যিলহজ্জ মিনায় অবস্হান করা সুন্নাত। অবস্হান ছাড়া এদিন মিনায় হজ্জের অন্যকোনো জরুরী কাজ নেই।
মিনায় পাঁচ ওয়াক্ত নামায ( আট তারিখের যুহর, আসর, মাগরিব, ঈশা ও নয় তারিখের ফজর) পড়া মুস্তাহাব। নয় তারিখ ফজরের নামাযের পর থেকে তাকবীরে তাশরীক পড়তে শুরু করা। নামায শেষে প্রথমে তাকবীরে তাশরীক পড়া, এর পর তালবিয়া পড়া। তাকবীরে তাশরীকের আ'মল তেরো তারিখ আসর পর্যন্ত চলবে।
নয় তারিখ সূর্যোদয়ের পরে আরাফায় যাওয়া। আরাফায় অবস্হান করা হজ্জের গুরুত্বপূর্ন ফরয। উকূপে আরাফা করতে না পারলে হজ্জ হবে না। আরাফায় উকূফের সময় যোহর,আসর একসাথে যোহরের ওয়াক্তে কেবল ঐ হাজীগণ পড়বে, যারা মসজিদে নামিরায় 'আমীরুল হজ্জ'-এর ইমামতিতে নামায পড়ে। নামায শেষে সম্ভব হলে জাবালে রহমতের কাছাকাছি কোথাও অবস্হান নিবে।
সূর্যাস্তের পর মাগরিবের নামায না পড়ে আরাফা থেকে মুযদালিফায় রওনা করতে হবে (মুযদালিফা আরাফার মতোই একটা ময়দান)। মুযদালিফায় পৌঁছে ঈশার ওয়াক্ত হওয়ার পর এক আযান ও এক ইক্বামত দিয়ে প্রথমে মাগরিব, এরপর কোনো-রকম বিরতি না দিয়ে ঈশা পড়তে হবে।
৯ই যিলহজ্জ দিবাগত রাতের শেষে সূর্যোদয় পর্যন্ত উকূফে মুযদালিফা করা ওয়াজিব। ১০ তারিখ বড় শয়তানকে মারার জন্য সাতটি পাথর মুযদালিফা থেকে সংগ্রহ করে রাখা মুস্তাহাব। পরবর্তী দিনগুলোর পাথর যেকোনে স্হান থেকেই সংগ্রহ করতে পারবে।
মুযদালিফা থেকে সূর্যোদয়ের কিছুক্ষণ পূর্বে মিনার উদ্দেশ্যে রওনা করবে। পথে বেশি বেশি তালবিয়া পড়বে। ১০ তারিখ শুধু বড় শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ করা হজ্জ্বের অন্যতম ওয়াজিব আ'মল। বড় শয়তানের কাছে পৌঁছে প্রথমে পাথর নিক্ষেপের পূর্বমুহূর্তে তালবিয়া পড়া বন্ধ করে দিবে। এখন থেকে হজ্জের শেষ পর্যন্ত আর তালবিয়া পড়া জায়িয নয়।
১০ তারিখের দ্বিতীয় কাজ হলো কুরবানী করা। এটাও ওয়াজিব আ'মল। হজ্জের কুরবানীর সাথে ঈদুল আযহার কুরবানী মক্কা-মিনতেও করতে পারে, কিংবা দেশের বাড়িতেও করতে পারে। হজ্জের কুরবানীর গোশতের হুকুম ঈদুল আযহার কুরবানীর গোশতের মতোই।
১০ই যিলহজ্জ যিলহজ্জের অনেক কাজ থাকায় হাজীদের জন্য আল্লাহ তা'আলার পক্ষ থেকে ঈদের নামায মাফ করে দেয়া হয়েছে। তাই কারো ঈদের নামায পড়তে হবে না।
১০ই যিলহজ্জের তৃতীয় কাজ হলো চুল কাটাবে। এটা হজ্জের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ওয়াজিব আমল। ১০ই যিলহজ্জ কুরবানী করার পর চুল কাটাতে হবে। পুরুষদের জন্য মাথা মুন্ডানো উত্তম।
১০ই যিলহজ্জের চতুর্থ কাজ হলো তাওয়াফে যিয়ারত করবে। তাওয়াফে যিয়ারাত হজ্জের গুরুত্বপূর্ণ একটি ফরয। ফরয তাওয়াফের সময় হলো ১০ তারিখ থেকে ১২ তারিখ সূর্যাস্তের পূর্বেই তাওয়াফ সম্পন্ন করা ওয়াজিব। উমরার তাওয়াফ যেভাবে করেছে তাওয়াফে যিয়ারাত ও সেভাবে করবে। হজ্জের সাঈ করা একটি গুরুত্বপূর্ণ ওয়াজিব আমল। ফরয তাওয়াফ করে সাঈ করা উত্তম। ফরয তাওয়াফের পর যেকোনো সময় সাঈ করা যায়।
১০ই যিলহজ্জ দিবাগত রাত থেকে ১২ই যিলহজ্জ সূর্যাস্ত পর্যন্ত মিনায় অবস্হান করা সুন্নাত। তাই ফরয তাওয়াফ এবং সাঈ সম্পন্ন করে যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি মিনায় চলে আসবে।
১১ই যিলহজ্জ যোহরের ওয়াক্ত হওয়ার পর থেকে পরবর্তী সুবহে-সাদিক পর্যন্ত যেকোনো সময়ে ছোট, মেঝো ও বড় শয়তানকে সাতটি করে পাথর মারা ওয়াজিব। ১১ ও ১২ তারিখ যোহরের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পর থেকে পাথর মারার সময় শুরু হয়। এর পূর্বে পাথর মারলে ওয়াজিব আদায় হবে না।
মূলত ৮ই যিলহজ্জ সূর্যোদয়ের পর মিনার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়া সুন্নাত। ৮ই যিলহজ্জ মিনায় অবস্হান করা সুন্নাত। অবস্হান ছাড়া এদিন মিনায় হজ্জের অন্যকোনো জরুরী কাজ নেই।
মিনায় পাঁচ ওয়াক্ত নামায ( আট তারিখের যুহর, আসর, মাগরিব, ঈশা ও নয় তারিখের ফজর) পড়া মুস্তাহাব। নয় তারিখ ফজরের নামাযের পর থেকে তাকবীরে তাশরীক পড়তে শুরু করা। নামায শেষে প্রথমে তাকবীরে তাশরীক পড়া, এর পর তালবিয়া পড়া। তাকবীরে তাশরীকের আ'মল তেরো তারিখ আসর পর্যন্ত চলবে।
নয় তারিখ সূর্যোদয়ের পরে আরাফায় যাওয়া। আরাফায় অবস্হান করা হজ্জের গুরুত্বপূর্ন ফরয। উকূপে আরাফা করতে না পারলে হজ্জ হবে না। আরাফায় উকূফের সময় যোহর,আসর একসাথে যোহরের ওয়াক্তে কেবল ঐ হাজীগণ পড়বে, যারা মসজিদে নামিরায় 'আমীরুল হজ্জ'-এর ইমামতিতে নামায পড়ে। নামায শেষে সম্ভব হলে জাবালে রহমতের কাছাকাছি কোথাও অবস্হান নিবে।
সূর্যাস্তের পর মাগরিবের নামায না পড়ে আরাফা থেকে মুযদালিফায় রওনা করতে হবে (মুযদালিফা আরাফার মতোই একটা ময়দান)। মুযদালিফায় পৌঁছে ঈশার ওয়াক্ত হওয়ার পর এক আযান ও এক ইক্বামত দিয়ে প্রথমে মাগরিব, এরপর কোনো-রকম বিরতি না দিয়ে ঈশা পড়তে হবে।
৯ই যিলহজ্জ দিবাগত রাতের শেষে সূর্যোদয় পর্যন্ত উকূফে মুযদালিফা করা ওয়াজিব। ১০ তারিখ বড় শয়তানকে মারার জন্য সাতটি পাথর মুযদালিফা থেকে সংগ্রহ করে রাখা মুস্তাহাব। পরবর্তী দিনগুলোর পাথর যেকোনে স্হান থেকেই সংগ্রহ করতে পারবে।
মুযদালিফা থেকে সূর্যোদয়ের কিছুক্ষণ পূর্বে মিনার উদ্দেশ্যে রওনা করবে। পথে বেশি বেশি তালবিয়া পড়বে। ১০ তারিখ শুধু বড় শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ করা হজ্জ্বের অন্যতম ওয়াজিব আ'মল। বড় শয়তানের কাছে পৌঁছে প্রথমে পাথর নিক্ষেপের পূর্বমুহূর্তে তালবিয়া পড়া বন্ধ করে দিবে। এখন থেকে হজ্জের শেষ পর্যন্ত আর তালবিয়া পড়া জায়িয নয়।
১০ তারিখের দ্বিতীয় কাজ হলো কুরবানী করা। এটাও ওয়াজিব আ'মল। হজ্জের কুরবানীর সাথে ঈদুল আযহার কুরবানী মক্কা-মিনতেও করতে পারে, কিংবা দেশের বাড়িতেও করতে পারে। হজ্জের কুরবানীর গোশতের হুকুম ঈদুল আযহার কুরবানীর গোশতের মতোই।
১০ই যিলহজ্জ যিলহজ্জের অনেক কাজ থাকায় হাজীদের জন্য আল্লাহ তা'আলার পক্ষ থেকে ঈদের নামায মাফ করে দেয়া হয়েছে। তাই কারো ঈদের নামায পড়তে হবে না।
১০ই যিলহজ্জের তৃতীয় কাজ হলো চুল কাটাবে। এটা হজ্জের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ওয়াজিব আমল। ১০ই যিলহজ্জ কুরবানী করার পর চুল কাটাতে হবে। পুরুষদের জন্য মাথা মুন্ডানো উত্তম।
১০ই যিলহজ্জের চতুর্থ কাজ হলো তাওয়াফে যিয়ারত করবে। তাওয়াফে যিয়ারাত হজ্জের গুরুত্বপূর্ণ একটি ফরয। ফরয তাওয়াফের সময় হলো ১০ তারিখ থেকে ১২ তারিখ সূর্যাস্তের পূর্বেই তাওয়াফ সম্পন্ন করা ওয়াজিব। উমরার তাওয়াফ যেভাবে করেছে তাওয়াফে যিয়ারাত ও সেভাবে করবে। হজ্জের সাঈ করা একটি গুরুত্বপূর্ণ ওয়াজিব আমল। ফরয তাওয়াফ করে সাঈ করা উত্তম। ফরয তাওয়াফের পর যেকোনো সময় সাঈ করা যায়।
১০ই যিলহজ্জ দিবাগত রাত থেকে ১২ই যিলহজ্জ সূর্যাস্ত পর্যন্ত মিনায় অবস্হান করা সুন্নাত। তাই ফরয তাওয়াফ এবং সাঈ সম্পন্ন করে যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি মিনায় চলে আসবে।
১১ই যিলহজ্জ যোহরের ওয়াক্ত হওয়ার পর থেকে পরবর্তী সুবহে-সাদিক পর্যন্ত যেকোনো সময়ে ছোট, মেঝো ও বড় শয়তানকে সাতটি করে পাথর মারা ওয়াজিব। ১১ ও ১২ তারিখ যোহরের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পর থেকে পাথর মারার সময় শুরু হয়। এর পূর্বে পাথর মারলে ওয়াজিব আদায় হবে না।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন