১. খাদ্য, বস্ত্র, আশ্রয় ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা।
২. তারা সময় কাটাতে পারে ও আনন্দ লাভ করে- এমন কিছুর ব্যবস্থা করা। যেমন- বই পড়া, পত্রিকা পড়া, নাত-নাতনীদের সাথে সময় কাটানো, হালকা কিছু কাজ করা ইত্যাদি।
৩. ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলা, ধর্মীয় কাজে সময় দেয়া ও অর্থ খরচের ব্যাপারে সহযোগিতা করা। তাদের দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় খরচেরও ব্যবস্থা করা।
৪. তাদের প্রতি সম্মান, মর্যাদা ও শ্রদ্ধা রেখে নমনীয় আচরণ করা; বিরক্ত না হওয়া।
যারা বৃদ্ধ নন; তাদের এটা মনে রাখা যে, তারাও একদিন নবীন ছিল, আমরাও একদিন বৃদ্ধ হব।
কুরআন-হাদীসের নির্দেশনা
------------------------------------
পবিত্র আল কুরআন পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের কর্তব্য নির্ধারণ করে দিয়েছে। সূরা লোকমানের ১৪ আয়াতে বলা হয়েছে, "মানুষকে পিতা-মাতার প্রতি দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছি। কেননা মা কষ্টের পর কষ্ট করে গর্ভে ধারণ করেছে, দুটো বৎসর দুধ খাইয়েছে। আরো নির্দেশ দিয়েছি, আমার শোকর কর এবং পিতা-মাতার শোকর কর। অবশেষে আমার দিকেই ফিরে আসতে হবে।"
সূরা বনী ইসরাইলের ২৩-২৪ আয়াতে বলা হয়েছে, "তোমার রব আদেশ করেছেন যে, "একমাত্র তাঁর ইবাদত কর, পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার কর। তাদের একজন কিংবা উভয়ই বৃদ্ধ হলে তাদেরকে 'উহ' পর্যন্ত বলবে না। তাদেরকে ধমক দিবে না, মর্যাদার সাথে কথা বলবে। তাদের সামনে বিনয় ও নম্রতা দেখাবে এবং দোআ করবে এভাবে যে, তাদের প্রতি রহম কর, যেভাবে তারা বাল্যকালে স্নেহভরে আমাকে পালন করেছে।"
রাসূল (সা:) বলেছেন, "জান্নাত মায়ের পায়ের নিচে।" আরও বলেছেন, "পিতার সন্তুষ্টির ওপর আল্লাহর সন্তুষ্টি এবং পিতার অসন্তুষ্টির ওপর আল্লাহর অসন্তুষ্টি নির্ভর করে।" আরও বলেছেন, " সবচেয়ে বড় গোনাহ; আল্লাহর সাথে শরীক করা এবং পিতা-মাতার সঙ্গে অসদাচরণ করা।"
একদিন রাসূল (সা:) এঁর মজলিসে এক বৃদ্ধা উপস্থিত হলেন। তিঁনি তাঁকে দেখে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন, তাঁর গায়ের চাদর বিছিয়ে তাঁকে বসতে দিলেন। তাঁর সাথে দরদ নিয়ে কথা বললেন। বৃদ্ধা চলে গেলে সাহাবীরা জানতে চাইলেন, এই বৃদ্ধা কে? জবাবে বললেন, "তিঁনি আমার দুধমা
হালিমা।"
রাসূল (সা:) বলেছেন, "তোমরা ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, রোগীর সেবা কর।"
এ হাদীসটিও অনেকাংশে বয়স্কদের সেবার প্রতিই নির্দেশ করে।
আল্লাহ তা'আলা আমাদের সকলকে কথাগুলি বুঝার এবং আমল করার তাওফিক দান করুন আমী।
২. তারা সময় কাটাতে পারে ও আনন্দ লাভ করে- এমন কিছুর ব্যবস্থা করা। যেমন- বই পড়া, পত্রিকা পড়া, নাত-নাতনীদের সাথে সময় কাটানো, হালকা কিছু কাজ করা ইত্যাদি।
৩. ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলা, ধর্মীয় কাজে সময় দেয়া ও অর্থ খরচের ব্যাপারে সহযোগিতা করা। তাদের দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় খরচেরও ব্যবস্থা করা।
৪. তাদের প্রতি সম্মান, মর্যাদা ও শ্রদ্ধা রেখে নমনীয় আচরণ করা; বিরক্ত না হওয়া।
যারা বৃদ্ধ নন; তাদের এটা মনে রাখা যে, তারাও একদিন নবীন ছিল, আমরাও একদিন বৃদ্ধ হব।
কুরআন-হাদীসের নির্দেশনা
------------------------------------
পবিত্র আল কুরআন পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের কর্তব্য নির্ধারণ করে দিয়েছে। সূরা লোকমানের ১৪ আয়াতে বলা হয়েছে, "মানুষকে পিতা-মাতার প্রতি দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছি। কেননা মা কষ্টের পর কষ্ট করে গর্ভে ধারণ করেছে, দুটো বৎসর দুধ খাইয়েছে। আরো নির্দেশ দিয়েছি, আমার শোকর কর এবং পিতা-মাতার শোকর কর। অবশেষে আমার দিকেই ফিরে আসতে হবে।"
সূরা বনী ইসরাইলের ২৩-২৪ আয়াতে বলা হয়েছে, "তোমার রব আদেশ করেছেন যে, "একমাত্র তাঁর ইবাদত কর, পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার কর। তাদের একজন কিংবা উভয়ই বৃদ্ধ হলে তাদেরকে 'উহ' পর্যন্ত বলবে না। তাদেরকে ধমক দিবে না, মর্যাদার সাথে কথা বলবে। তাদের সামনে বিনয় ও নম্রতা দেখাবে এবং দোআ করবে এভাবে যে, তাদের প্রতি রহম কর, যেভাবে তারা বাল্যকালে স্নেহভরে আমাকে পালন করেছে।"
রাসূল (সা:) বলেছেন, "জান্নাত মায়ের পায়ের নিচে।" আরও বলেছেন, "পিতার সন্তুষ্টির ওপর আল্লাহর সন্তুষ্টি এবং পিতার অসন্তুষ্টির ওপর আল্লাহর অসন্তুষ্টি নির্ভর করে।" আরও বলেছেন, " সবচেয়ে বড় গোনাহ; আল্লাহর সাথে শরীক করা এবং পিতা-মাতার সঙ্গে অসদাচরণ করা।"
একদিন রাসূল (সা:) এঁর মজলিসে এক বৃদ্ধা উপস্থিত হলেন। তিঁনি তাঁকে দেখে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন, তাঁর গায়ের চাদর বিছিয়ে তাঁকে বসতে দিলেন। তাঁর সাথে দরদ নিয়ে কথা বললেন। বৃদ্ধা চলে গেলে সাহাবীরা জানতে চাইলেন, এই বৃদ্ধা কে? জবাবে বললেন, "তিঁনি আমার দুধমা
হালিমা।"
রাসূল (সা:) বলেছেন, "তোমরা ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, রোগীর সেবা কর।"
এ হাদীসটিও অনেকাংশে বয়স্কদের সেবার প্রতিই নির্দেশ করে।
আল্লাহ তা'আলা আমাদের সকলকে কথাগুলি বুঝার এবং আমল করার তাওফিক দান করুন আমী।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন